Search This Blog

Friday, September 28, 2012

Sympathy for women ♥ ♥ ♥




নারী শুধুই নারী নয়। এই নারী সময়ের পরিবর্তনে আমাদের মা, বোন , মেয়ে এবং কখনো জীবন সঙ্গীনী। এই সম্পর্কগুলোর কোনটি কোনটা থেকে খুব বেশি দূরে নয়। এই নারীই যখন হয় লাঞ্চিত,অপমানিত তখন সেই অপমানের কিছুটা অংশ আমাদের অস্তিত্বেও এসে লাগে। আর যদি না লাগে তাহলে ধরে নিতে হবে আমরা আর রক্ত মাংসের শরীরে মানুষ নেই। নারী নির্যাতন বন্ধে আইন ছিল,আইন আছে এবং আরও নিত্য নতুন আইন প্রনয়ন হবে। কিন্তু তাতেকি নারী নির্যাতন বন্ধ হবে। এটা স্পষ্ট করে বলা যায় এতেই নারী নির্যাতন বন্ধ হবেনা। শুধু সরকারী উদ্যোগে এবং নারীদের নিজেদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিই নারী নির্যাতন রোধে যথেষ্ট নয়। এ জন্য মূলত এগিয়ে আসতে হবে পুরুষকে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধের মিছিলে সবার অগ্রে থাকা চাই পুরুষের । নারী নির্যাতিত হচ্ছে পুরুষের মাধ্যমে আর তাই নারী নির্যাতন রোধে পুরুষই পারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে। বিশ্বে নারী নির্যাতনের হার বেড়েই চলেছে। যার পরিমান পার্শ্ববর্তী ভারত এবং আমাদের বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি । ১৫ কোটি মানুষের এই দেশে নারী নির্যাতনকারী সংখ্যা ১ লাখও নয়। হিসাব করলে দেখা যায় এদেশে নারী সংখ্যা ৭ কোটি। বাকি ৮ কোটি পুরুষের মধ্যে হয়তো ১ লাখ পুরুষ নির্যাতনকারী। বাকি পুরুষেরা মিলে কি পারিনা এই ১ লাখ নির্যাতনকারীকে প্রতিরোধ করতে। যে কেউ জানে যে এই সামান্য সংখ্যক নির্যাতনকারীকে প্রতিরোধ করতে এই বৃহদসংখ্যক পুরুষের জন্য মামুলি ব্যাপার। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পুরুষ যে সব ভূমিকা রাখতে হবে -


# পুরুষেরা দায়িত্ব নিয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করবে।
# যৌতুক বিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে হবে এবং যৌতুক দেওয়া নেওয়া দুটোই অপরাধ জনগণকে তা বুঝাতে হবে। প্রতিজ্ঞা করতে হবে যৌতুক না নেয়ার এবং না দেয়ার।
# সমঝোতা এবং আলোচনাকে প্রাধান্য দিতে হবে। পরিবারের কোন বিষয়ে একাই সিদ্ধান্তের অধীকারী এই মনোভাব পরিত্যাগ করে নারী পুরুষ মিলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন বিষয়ে মতের মিল না হলেই নারীকে প্রহার করার মনোভাব ত্যাগ করতে হবে।
# সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারে কাজ করতে হবে এবং জানতে হবে নারীদের মর্যাদা এবং অধিকার কতটুকু। এতে নির্যাতনের হার কমবে।
# নির্যাতন কারীকে চিহ্নিত করে আইনের হাতে তুলে দিতে বদ্ধপরিকর হতে হবে,হোকনা সে আপনজন তাকে নির্যাতনকারী হিসেবেই চিনতে হবে। মনে রাখতে হবে নারী নির্যাতনকারী কখনো আপন জন হতে পারেনা।
# নির্যাতন কারীকে প্রথমে বুঝাতে হবে যে, সে যে কাজটা করছে তা ঠিক নয়। এতে যদি সে না বদলায় তবে আইনানুগ শাস্তির বিধান করতে হবে।
# সামাজিকভাবে নির্যাতনকারীকে বয়কট করে বুঝিয়ে দিতে হবে সভ্য সমাজে নারী নির্যাতন কারীর কোন স্থান নেই। নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলন পুরুষকেই বেগবান করতে হবে।
 

Eve-teasing

আজ মেয়েদের জন্য এই আংগিনা সংকীর্ণ হয়ে গেছে, যে মায়াময় আংগিনায় ছিলো তাদের অবাদ বিচরণ সকলের স্বভাবসূলভ সতর্ক দৃষ্টির ছিল তাদের বিচরণের দিকে, ছিলন কোন ইভ-টিজিং (Eve-teasing) , ছিলনা কোন অশ্লীলতা কিন্তু আজ সেই গ্রামীণ জীবন আর সহজ সরল মানুষগুলো রূপকথার পাতায় হারিয়ে গিয়েছে কালেকালে বদলে যাচ্ছি আমরা...

Saturday, April 28, 2012



Dream

You are not of this planet
Of this distant space
Where you drift along the shore
Where you get lost in you the mirror
You are from a distant time
A distant kiss
Longing to pull me back
Again to your flame.

You are me, and I… you
We are like two shells
Floating under the sea
For eternity too…

Friday, April 13, 2012

My Home District Kurigram




Kurigram District is located in the northern region of Bangladesh  along the border of  India. The area of this district is 2,296.10 km² and population is 1,782,277 (2001 national population census). This district is surrounded by Cooch Berar district of India in the north, Gaibandha district of Bangladesh in the south,  Assam state of  India in the east and,  Lalmonirhat and Rangpur  districts of Bangladesh in the west. Weather of the Kurigram district is bit different from the middle or southern part of Bangladesh. During summer, temperature is higher and during winter is lower than middle or southern part of Bangladesh. The average maximum temperature is about 32-33 degree Celsius when average minimum temperature is about 10-11 degrees. Heavy rainfall is usually observed during the rainy season like other parts of Bangladesh and the average annual rainfall is about 3000 mm. Several rivers are flowing through the heart of this district. The major rivers are Brahmaputra, Dharla  and Tista with minors are Dudhkumar, Phulkumar, Gangadhar, Jinjiram etc. Three northern subdistricts (namely Thana  or upazila) of this district (Nageshwari, Bhurungamari and Fulbari are recently connected by a beautiful bridge over the Dharla river with the main land of the district.

Thursday, April 12, 2012

প্রতিসন্দর্ভের স্মৃতি


মলয় রায়চৌধুরী | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১০ :১০ অপরাহ্ন 
১৯৬১ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হাংরি আন্দোলন শুরু করেন মলয় রায়চৌধুরী, তার বন্ধু দেবী রায়, বড় ভাই সমীর রায়চৌধুরী কবি শক্তি চট্টোপ্যাধ্যায় পরবর্তীকালে পলকুমার বসু, বিনয় মজুমদার, সুবিমল বসাক, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়, ফাল্গুনী রায়, ত্রিদিব মিত্র এবং তা বান্ধবী আলো মিত্র, সুভাষ ঘোষ, বাসুদেব দাশগুপ্ত, শৈলেশ্বর ঘোষ, প্রদীপ চৌধুরীসহ আরো অনেকে ১৯৬৪ সালের হাংরি বুলেটিনে মলয় রায় চৌধুরী প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতারকবিতা প্রকাশিত হয় এবং হাংরি বুলেটিন ১৯৬৪প্রকাশের পরে পরে ভারতীয় আদালতে হাংরি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয় ১৯৬৪ সালের ২রা সেপ্টেম্বর হাংরি আন্দোলনকারীদের ১১ জনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ড বিধির ১২০বি (রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ), ২৯২ (সাহিত্যে অশ্লীলতা ) ২৯৪ (তরুণদের বিপথগামী করা) ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়; এর মধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ১৯৬৫ সালের মে মাসে অন্য সবাইকে রেহাই দিয়ে কেবল মলয় রায় চৌধুরী বিরুদ্ধে ২৯২ ধারায় চার্জশীট দেয়া হয় গ্রেফতারি পরোয়ানার দরুন পলকুমার বসু অধ্যাপকের চাকরি থেকে বরখাস্ত হনপ্রদীপ চৌধুরী বিশ্বভারতী থেকে রাসটিকেট হন সমীর রায়চৌধুরী সরকারি চাকরি থেকে সাসপেন্ড হন সুবিমল বসাক দেবী রায়কে কলকাতা থেকে মফঃস্বলে বদলি করে দেয়া হয়। গ্রেফতারের সময়ে মলয় রায় চৌধুরীকে হাতে হাতকড়া পরিয়ে, কোমরে দড়ি বেঁধে দুই কিলোমিটার হাঁটিয়ে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় ১৯৬৬ সালে ব্যাংকশাল কোর্ট মলয় রায় চৌধুরীকে দুশো টাকা জরিমানা, অনাদায়ে একমাসের কারাদন্ড দেয় এই রায়ের বিরুদ্ধে মলয় রায় চৌধুরী কলকাতা উচ্চ আদালতে আপিল করেন এবং ২৬ জুলাই ১৯৬৭ সালে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় নাকচ করে দেয়

সেই সময়ে হাংরি আন্দোলন কী উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল এবং উপরোক্ত মামলায় প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতারকবিতাটির কী ভূমিকা ছিলোএই পুরো বিষয় নিয়ে দিল্লি দিগঙ্গন পত্রিকায় লিখেছেন মলয় রায়চৌধুরী ২০০৪ সালে দিগঙ্গন সব সংখ্যায় প্রকাশিত মলয় রায়চৌধুরী প্রতিসন্দর্ভের স্মৃতিনামে লেখাটি পুনঃপ্রকাশিত হয়