Search This Blog

Thursday, April 12, 2012

প্রতিসন্দর্ভের স্মৃতি


মলয় রায়চৌধুরী | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১০ :১০ অপরাহ্ন 
১৯৬১ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হাংরি আন্দোলন শুরু করেন মলয় রায়চৌধুরী, তার বন্ধু দেবী রায়, বড় ভাই সমীর রায়চৌধুরী কবি শক্তি চট্টোপ্যাধ্যায় পরবর্তীকালে পলকুমার বসু, বিনয় মজুমদার, সুবিমল বসাক, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়, ফাল্গুনী রায়, ত্রিদিব মিত্র এবং তা বান্ধবী আলো মিত্র, সুভাষ ঘোষ, বাসুদেব দাশগুপ্ত, শৈলেশ্বর ঘোষ, প্রদীপ চৌধুরীসহ আরো অনেকে ১৯৬৪ সালের হাংরি বুলেটিনে মলয় রায় চৌধুরী প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতারকবিতা প্রকাশিত হয় এবং হাংরি বুলেটিন ১৯৬৪প্রকাশের পরে পরে ভারতীয় আদালতে হাংরি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয় ১৯৬৪ সালের ২রা সেপ্টেম্বর হাংরি আন্দোলনকারীদের ১১ জনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ড বিধির ১২০বি (রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ), ২৯২ (সাহিত্যে অশ্লীলতা ) ২৯৪ (তরুণদের বিপথগামী করা) ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়; এর মধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ১৯৬৫ সালের মে মাসে অন্য সবাইকে রেহাই দিয়ে কেবল মলয় রায় চৌধুরী বিরুদ্ধে ২৯২ ধারায় চার্জশীট দেয়া হয় গ্রেফতারি পরোয়ানার দরুন পলকুমার বসু অধ্যাপকের চাকরি থেকে বরখাস্ত হনপ্রদীপ চৌধুরী বিশ্বভারতী থেকে রাসটিকেট হন সমীর রায়চৌধুরী সরকারি চাকরি থেকে সাসপেন্ড হন সুবিমল বসাক দেবী রায়কে কলকাতা থেকে মফঃস্বলে বদলি করে দেয়া হয়। গ্রেফতারের সময়ে মলয় রায় চৌধুরীকে হাতে হাতকড়া পরিয়ে, কোমরে দড়ি বেঁধে দুই কিলোমিটার হাঁটিয়ে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় ১৯৬৬ সালে ব্যাংকশাল কোর্ট মলয় রায় চৌধুরীকে দুশো টাকা জরিমানা, অনাদায়ে একমাসের কারাদন্ড দেয় এই রায়ের বিরুদ্ধে মলয় রায় চৌধুরী কলকাতা উচ্চ আদালতে আপিল করেন এবং ২৬ জুলাই ১৯৬৭ সালে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় নাকচ করে দেয়

সেই সময়ে হাংরি আন্দোলন কী উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল এবং উপরোক্ত মামলায় প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতারকবিতাটির কী ভূমিকা ছিলোএই পুরো বিষয় নিয়ে দিল্লি দিগঙ্গন পত্রিকায় লিখেছেন মলয় রায়চৌধুরী ২০০৪ সালে দিগঙ্গন সব সংখ্যায় প্রকাশিত মলয় রায়চৌধুরী প্রতিসন্দর্ভের স্মৃতিনামে লেখাটি পুনঃপ্রকাশিত হয়

No comments:

Post a Comment