নারী শুধুই নারী নয়। এই নারী সময়ের পরিবর্তনে আমাদের মা, বোন , মেয়ে এবং কখনো জীবন সঙ্গীনী। এই সম্পর্কগুলোর কোনটি কোনটা থেকে খুব বেশি দূরে নয়। এই নারীই যখন হয় লাঞ্চিত,অপমানিত তখন সেই অপমানের কিছুটা অংশ আমাদের অস্তিত্বেও এসে লাগে। আর যদি না লাগে তাহলে ধরে নিতে হবে আমরা আর রক্ত মাংসের শরীরে মানুষ নেই। নারী নির্যাতন বন্ধে আইন ছিল,আইন আছে এবং আরও নিত্য নতুন আইন প্রনয়ন হবে। কিন্তু তাতেকি নারী নির্যাতন বন্ধ হবে। এটা স্পষ্ট করে বলা যায় এতেই নারী নির্যাতন বন্ধ হবেনা। শুধু সরকারী উদ্যোগে এবং নারীদের নিজেদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিই নারী নির্যাতন রোধে যথেষ্ট নয়। এ জন্য মূলত এগিয়ে আসতে হবে পুরুষকে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধের মিছিলে সবার অগ্রে থাকা চাই পুরুষের । নারী নির্যাতিত হচ্ছে পুরুষের মাধ্যমে আর তাই নারী নির্যাতন রোধে পুরুষই পারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে। বিশ্বে নারী নির্যাতনের হার বেড়েই চলেছে। যার পরিমান পার্শ্ববর্তী ভারত এবং আমাদের বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি । ১৫ কোটি মানুষের এই দেশে নারী নির্যাতনকারী সংখ্যা ১ লাখও নয়। হিসাব করলে দেখা যায় এদেশে নারী সংখ্যা ৭ কোটি। বাকি ৮ কোটি পুরুষের মধ্যে হয়তো ১ লাখ পুরুষ নির্যাতনকারী। বাকি পুরুষেরা মিলে কি পারিনা এই ১ লাখ নির্যাতনকারীকে প্রতিরোধ করতে। যে কেউ জানে যে এই সামান্য সংখ্যক নির্যাতনকারীকে প্রতিরোধ করতে এই বৃহদসংখ্যক পুরুষের জন্য মামুলি ব্যাপার। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পুরুষ যে সব ভূমিকা রাখতে হবে -
# পুরুষেরা দায়িত্ব নিয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করবে।
# যৌতুক বিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে হবে এবং যৌতুক দেওয়া নেওয়া দুটোই অপরাধ জনগণকে তা বুঝাতে হবে। প্রতিজ্ঞা করতে হবে যৌতুক না নেয়ার এবং না দেয়ার।
# সমঝোতা এবং আলোচনাকে প্রাধান্য দিতে হবে। পরিবারের কোন বিষয়ে একাই সিদ্ধান্তের অধীকারী এই মনোভাব পরিত্যাগ করে নারী পুরুষ মিলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন বিষয়ে মতের মিল না হলেই নারীকে প্রহার করার মনোভাব ত্যাগ করতে হবে।
# সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারে কাজ করতে হবে এবং জানতে হবে নারীদের মর্যাদা এবং অধিকার কতটুকু। এতে নির্যাতনের হার কমবে।
# নির্যাতন কারীকে চিহ্নিত করে আইনের হাতে তুলে দিতে বদ্ধপরিকর হতে হবে,হোকনা সে আপনজন তাকে নির্যাতনকারী হিসেবেই চিনতে হবে। মনে রাখতে হবে নারী নির্যাতনকারী কখনো আপন জন হতে পারেনা।
# নির্যাতন কারীকে প্রথমে বুঝাতে হবে যে, সে যে কাজটা করছে তা ঠিক নয়। এতে যদি সে না বদলায় তবে আইনানুগ শাস্তির বিধান করতে হবে।
# সামাজিকভাবে নির্যাতনকারীকে বয়কট করে বুঝিয়ে দিতে হবে সভ্য সমাজে নারী নির্যাতন কারীর কোন স্থান নেই। নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলন পুরুষকেই বেগবান করতে হবে।
# যৌতুক বিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে হবে এবং যৌতুক দেওয়া নেওয়া দুটোই অপরাধ জনগণকে তা বুঝাতে হবে। প্রতিজ্ঞা করতে হবে যৌতুক না নেয়ার এবং না দেয়ার।
# সমঝোতা এবং আলোচনাকে প্রাধান্য দিতে হবে। পরিবারের কোন বিষয়ে একাই সিদ্ধান্তের অধীকারী এই মনোভাব পরিত্যাগ করে নারী পুরুষ মিলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন বিষয়ে মতের মিল না হলেই নারীকে প্রহার করার মনোভাব ত্যাগ করতে হবে।
# সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারে কাজ করতে হবে এবং জানতে হবে নারীদের মর্যাদা এবং অধিকার কতটুকু। এতে নির্যাতনের হার কমবে।
# নির্যাতন কারীকে চিহ্নিত করে আইনের হাতে তুলে দিতে বদ্ধপরিকর হতে হবে,হোকনা সে আপনজন তাকে নির্যাতনকারী হিসেবেই চিনতে হবে। মনে রাখতে হবে নারী নির্যাতনকারী কখনো আপন জন হতে পারেনা।
# নির্যাতন কারীকে প্রথমে বুঝাতে হবে যে, সে যে কাজটা করছে তা ঠিক নয়। এতে যদি সে না বদলায় তবে আইনানুগ শাস্তির বিধান করতে হবে।
# সামাজিকভাবে নির্যাতনকারীকে বয়কট করে বুঝিয়ে দিতে হবে সভ্য সমাজে নারী নির্যাতন কারীর কোন স্থান নেই। নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলন পুরুষকেই বেগবান করতে হবে।

ভাল ভাল খুব ভাল :)
ReplyDeleteThis comment has been removed by the author.
ReplyDelete